এই লক্ষণগুলি দেখে ঘরে বসেই জেনে নিন আপনি প্রেগন্যান্ট কিনা |Treatment Of Pregnant Women-Health Line Tips
**গর্ভবতীদের চিকিৎসা**
গর্ভধারণ মেয়েদের সহজাত প্রবৃত্তি। আর এ বিষয়ে প্রথমে জ্ঞান না থাকার ফলে প্রচণ্ড অস্বস্তি ও যন্ত্রণাও ভোগ করতে হয়। এই লক্ষণগুলি দেখে ঘরে বসেই জেনে নিন আপনি প্রেগন্যান্ট কিনা ||
-----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
*গর্ভবতী হওয়ার লক্ষণ :
*গর্ভবতী হওয়ার লক্ষণ : গর্ভ হলে প্রথমে ঋতু বন্ধ হয়ে যায়, বমি হয় (ওয়াক তোলে), মুখ দিয়ে পার্টি ওঠে, স্তন বড় হয়, স্তনে দুধ আসে ক্রমশ পেটের ভিতর সন্তানের নড়াচড়া টের পাওয়া যায়।
-----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
**বমি **
**বমি : কমই হোক আর বেশিই হোক গর্ভধারণ হলেই প্রায়ই বমি করে থাকে। এই বমি ভাব গর্ভ ধারণের ১৫-২০ দিন পর থেকেই শুরু হয়ে যায় চলে প্রায় তিন মাস যাবৎ। এই সময় হিঞ্চে শাকের রস এক চামচ করে দিনে তিন বার খাওয়ালে বিশেষ উপকার হয়। এই সময় রুগী যে খাদ্য খেতে চায় তাই খেতে দেয়া ভাল (কোনভাবেই আনারস যেন না খায়)। তবে লাউ বা কুমড়ো ডাঁটা সেদ্ধ খেলে বমির ভাব কমে।
-----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
**অরুচি**
**অরুচি : গর্ভাবস্থায় অনেকেরই প্রচণ্ড অরুচি হয়। খাবার দেখলেই বমি আসে এবং কোন খাবার খেতে ইচ্ছে করে না। সকাল বেলা অল্প আদা নুন দিয়ে খেলে অরুচি ভাব কেটে যায়। শসা পাতা, লাউপাতা, কুমড়ো পাতা যেগুলি শাক হিসেবে খাই যে কোন একটি কলাপাতায় জড়িয়ে গরম ভাত দিয়ে সেদ্ধ করে নুন তেল দিয়ে ভাতের প্রথমে খেলে ক্ষুধা বৃদ্ধি পায় ও অরুচিতে রুচি আসে। স্তনের বঁটায় ব্যথা ঃ গর্ভাবস্থায় বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই স্তনের বঁটায় প্রচণ্ড ব্যথা হয়। স্তনের আগাটি ঠাণ্ডা জলে ধুয়ে, গাওয়া ঘি সামান্য গরম করে ঠাণ্ডা হলে মাখিয়ে রাখলে ব্যথা কমে যায়। তলপেট কনকন করলে পেটে নারিকেল তেল ও জল দিয়ে হাল্কা মালিশ করা ও ডাবের জল বা মিছরির শরবত খাওয়া।
**কোষ্ঠবদ্ধতা থাকলেঃ
**কোষ্ঠবদ্ধতা থাকলেঃ কোষ্ঠবদ্ধতা থেকে যে কোন মানুষের বিভিন্ন রোগের সুচনা হয়। বিশেষ করে গর্ভবতী মায়েরা যদি এই রোগে ভোগে, তাদের নিজের শরীর তথা শিশু শরীরেরও নানা অসুবিধা আসবে। তাই যাতে কোষ্ঠকাঠিন্য না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। প্রতিদিন রাত্রে শোবার আগে এক চামচ হরিতকির গুঁড়ো গরম জলে গুলে খেলে বিশেষ উপকার হবে।
-----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
FAQ's স্বাস্থ্যবান পুত্র সন্তান লাভের উপায় :
• কাগজি লেবুর সমস্ত বীজ দুধে বেঁটে এক সাথে পান করলে পুত্র সন্তানের প্রবল সম্ভাবনা থাকে।
• ৫০ গ্রাম করে বাবলার আঁঠা, শিবালঙ্গী বীজ, ময়ূর শিখা, অশ্বত্থ গাছের দাড়ি, পুত্র জীবক, মাজুফল নাগেশ্বর এবং ৩ গ্রাম কস্তুরী এক সাথে চূর্ণ করে ভালভাবে ছেঁকে এর পাউডার মাসিক এর চতুর্থ দিন থেকে ১৪ দিন পর্যন্ত সকাল ও সন্ধ্যা ৬ গ্রাম করে দুধের সাথে দুই তিন মাস খেতে পারলে পুত্র সন্তান আসবে।
• প্রতিদিন সকালে একটা করে আমলকীর মোরব্বা নিয়ম করে খেলে সন্তান সুন্দর ও গৌরবর্ণ হয় এবং মায়ের শরীরও ভাল থাকে।
• গর্ভধারণের প্রথম মাস থেকে অষ্টম মাস পর্যন্ত প্রতিদিন বিকেলে একটি করে কমলা লেবু খেলে স্বাস্থ্যবান পুত্র জন্মাতে সাহায্য করে।
** ঋতুভেদে আপনার খাদ্যাভ্যাস কি হবে প্রাকৃতিক পরিবেশের সঙ্গে মানবদেহের অঙ্গাঙ্গী সম্বন্ধ। ঋতুভেদে প্রকৃতির পরিবর্তন অনুযায়ী মানুষকে সুস্বাস্থ্য রক্ষার জন্যে আহার-বিহারে বিশেষ কতকগুলি নিয়ম মেনে চলতে হয়। যথা—
বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ মাস : গ্রীষ্মকালে সুস্থ অবস্থায় নানাবিধ সুমিষ্ট ফল, স্বাদু ভাত ও শীতল এবং বিশুদ্ধ জল পান করা উচিত। অঙ্গের চন্দনাদি সুগন্ধি লেপন এবং যে জায়গায় বায়ু চলাচল অব্যাহত-সেই স্থানে শয়ন করা উচিত। গ্রীষ্মকালে অল্প কিছুক্ষণ দিবানিদ্রা হিতকর।
আষাঢ় ও শ্রাবণ মাস : বর্ষাকালে সকলেরই পরিপাক শক্তি কিছুটা কমে। অতএব বর্ষাকালে পুরোনো চালের ভাত, ছাগলের দুধ, লঘুপাক দ্রব্য ও তিক্ত রসাদি ভোজন বিধেয়। এই সময়ে কোষ্ঠ পরিষ্কারক ওষুধাদি সেবনে কোষ্ঠ পরিষ্কার রাখা উচিত। এই সময়ে দিবা-নিদ্রা, অত্যন্ত শ্রমজনক কাজ, অতিরিক্ত রোদ লাগানো, অতিরিক্ত মৈথুন, ব্যায়াম নিষিদ্ধ।
ভাদ্র ও আশ্বিন মাস : শরৎকালে পিত্ত (More) সচরাচর প্রকুপিত হয়। অতএব বিৱেচন ওষুধাদি, পিত্তনাশক তিক্ত ও কষায় দ্রব্যাদি এবং লঘু ভোজন দরকার। এই সময়ে দই, টক, দিবানিদ্রা, রৌদ্রে ভ্রমণ, পূর্ববায়ু সেবন থেকে বিরত থাকা উচিত।
কাৰ্ত্তিক, অগ্রহায়ণ, পৌষ ও মাঘ মাস : এই হেমন্ত কাল ও শীতকালে পরিপাকশক্তি বৃদ্ধি পায়, অতএব এই সময় প্রচুর পরিমাণে মাংসাদি, ঘৃত, দুধ, ও অম্ল সেবন করা উচিত। এই সময় উষ্ণগৃহে বাস ও শীতবস্ত্র ব্যবহার করা উচিত। এই সময় কটু রসযুক্ত দ্রব্য, দিবানিদ্রা, স্বল্পভোজন ইত্যাদি শরীরের পক্ষে ক্ষতিকর।
ফাল্গুন ও চৈত্র মাস : বসন্তকালে পরিপাক শক্তি অনেকাংশে হ্রাস পায়, কারণ পাচকাদি অগ্নিদূষিত হয়। এই সময়ে শ্লেষ্মার প্রকোপ বৃদ্ধি ও নানবিধ ব্যাধি সুচিত হয় । বিরেচনাদি ওষুধ প্রয়োগে সর্বাগ্রে প্রেমার নিঃসরণ করা উচিত। রুক্ষ, লঘুপাক, কটু রসযুক্ত দ্রব্যাদি, লঘুপাক মাংসাদি ও কজহারী ওষুধ প্রভৃতি গ্রহণ করতে হবে।

